বেশি দামে এলএনজি কিনছে বাংলাদেশ 

Sep 12, 2026 - 17:53
Sep 12, 2026 - 17:53
 0  5
বেশি দামে এলএনজি কিনছে বাংলাদেশ 

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে হচ্ছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে সপ্তাহে তিনটি কার্গো কিনতে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে পেট্রোবাংলা। এসব কার্গো জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) মূল্যায়ন পদ্ধতির তুলনায় কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা বেশি দামে কেনা হয়েছে 

স্পট মার্কেটের টেন্ডারে ২৫-২৬ সেপ্টেম্বর সরবরাহের জন্য আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুরের দর ছিল প্রতি ইউনিট ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার। ওই সময়ে জেকেএম মূল্য ছিল ২৪ দশমিক ০৯ ডলার। একইভাবে আরেকটি কার্গোর জন্য বিপি সিঙ্গাপুরের দর ছিল ২৮ দশমিক ০৩ ডলার, যেখানে জেকেএম মূল্য ছিল প্রায় ২৫ ডলার। ৫-৬ অক্টোবর সরবরাহের জন্য বিটল ইশয়া লিমিটেডের দর ছিল ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ ডলার, যেখানে জেকেএম মূল্য ছিল প্রায় ২৫ ডলার।

আরপিজিসিএল জানিয়েছে, ওই সময়ে স্পট মার্কেটে প্ল্যাটস ও জেকেএম দর ছিল ২২ দশমিক ৮২ থেকে ২৪ দশমিক ৬১ ডলারের মধ্যে। ফলে প্রতিটি কার্গোতেই আন্তর্জাতিক সূচকভিত্তিক মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

জ্বালানি বিভাগকে দেওয়া ব্যাখ্যায় আরপিজিসিএল ও পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক এলএনজি বাজার অস্থির হয়ে পড়ায় দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পেট্রোবাংলার নির্ধারিত গ্যাসের মান ও হিটিং ভ্যালুর সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সরবরাহকারী টেন্ডারে অংশ নিতে আগ্রহী হচ্ছে না।

আরেকটি কারণ হলো, স্পট মার্কেটে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এলএনজি সরবরাহের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা। এতে সরবরাহকারীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং প্রতিযোগিতা কম থাকায় দামও বাড়ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি ইচ্ছা থাকলেও স্বল্প সময়ের মধ্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারায় টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

শিল্প ভিশন: বাংলাদেশের শিল্পায়ন, উৎপাদন, বাণিজ্য, রপ্তানি ও শিল্পনীতির সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য Industry Intelligence Hub হওয়া; যা নীতিনির্ধারক, শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা ভাষার প্রধান জ্ঞানভান্ডার ও রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের শিল্পখাত, উৎপাদন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রপ্তানি-আমদানি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME), সরবরাহ শৃঙ্খল এবং শিল্পনীতিকে তথ্য, গবেষণা, ডেটা ও বৈশ্বিক তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে শিল্পোন্নয়ন, প্রতিযোগিতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে জ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা যায়।